মোহাইমিনুল হাসান,সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ প্রতিনিধি:
রাজধানীর ঐতিহ্যবাহী সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের পরিচালন ও প্রশাসনিক কার্যক্রমের জন্য সর্বমোট ৮ কোটি ৯৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। কলেজটির শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা, শিক্ষা কার্যক্রম, প্রশাসনিক ব্যয়, বিদ্যুৎ-পানি, গবেষণা, কম্পিউটার ও বিভিন্ন শিক্ষা উপকরণসহ একাধিক খাতে এ অর্থ ব্যয় করা হবে।
বরাদ্দের খাতভিত্তিক তথ্যে দেখা যায়, অফিসারদের মূল বেতন বাবদ ১৬ লাখ ২০ হাজার ৫০০ টাকা এবং ছুটি নগদায়ন বাবদ ১ লাখ ৭৮ হাজার টাকা বরাদ্দ রয়েছে। অন্যদিকে কর্মচারীদের মূল বেতন বাবদ ৩ লাখ ৮০ হাজার ৪০০ টাকা এবং ছুটি নগদায়ন বাবদ ৫৬ হাজার ৬০০ টাকা রাখা হয়েছে।
কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিভিন্ন ভাতার জন্যও বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর মধ্যে শিক্ষা ভাতা বাবদ ৩৩ হাজার ১০০ টাকা, বাড়ি ভাড়া ভাতা ১১ লাখ ৬৪ হাজার ৬০০ টাকা, চিকিৎসা ভাতা ৮৩ হাজার ৫০০ টাকা, মোবাইল যোগাযোগ বাবদ ১৪ হাজার ৪০০ টাকা এবং টিফিন ভাতা বাবদ ৩ হাজার ৬০০ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া উৎসব ভাতা হিসেবে ৩ লাখ ৭২ হাজার ১০০ টাকা বরাদ্দ রয়েছে। পাশাপাশি বিনোদন ভাতা বাবদ ৬৮ হাজার ৪০০ টাকা, বাংলা নববর্ষ ভাতা ৩৭ হাজার ২০০ টাকা এবং বিশেষ সুবিধা বাবদ ২ লাখ ৪২ হাজার ৮০০ টাকা রাখা হয়েছে।
কলেজের দৈনন্দিন পরিচালন ও প্রশাসনিক কার্যক্রম সচল রাখতেও বিভিন্ন খাতে অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার সামগ্রী বাবদ ১ হাজার ২০০ টাকা, আপ্যায়ন ১ হাজার ১০০ টাকা, বিদ্যুৎ ১ লাখ টাকা, পানি ৫০ হাজার টাকা, ইন্টারনেট ১২ হাজার টাকা এবং টেলিফোন বাবদ ২ হাজার টাকা বরাদ্দ রয়েছে।
শিক্ষা ও দাপ্তরিক কার্যক্রমের প্রয়োজনীয় উপকরণ সংগ্রহের জন্য বইপত্র বাবদ ১০ হাজার টাকা, গ্যাস ও জ্বালানি ১০ হাজার টাকা, কম্পিউটার সামগ্রী ৯ হাজার টাকা, অন্যান্য খাতে ২০ হাজার টাকা, রসায়ন সামগ্রী ১৫ হাজার টাকা, পোশাক ৮ হাজার টাকা এবং ক্রীড়া সামগ্রী বাবদ ১০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
এদিকে অনুষ্ঠান ও উৎসব বাবদ ৬ হাজার টাকা, আসবাবপত্র ২ হাজার টাকা, কম্পিউটার ৫ হাজার টাকা, পৌর কর ৪৫ হাজার টাকা, গবেষণা ২ হাজার ৫০০ টাকা, অফিস সরঞ্জাম ১ হাজার টাকা এবং শিক্ষা ও শিক্ষাসংক্রান্ত খাতে ৮ হাজার টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বিভিন্ন খাতে বরাদ্দকৃত অর্থ কলেজের নিয়মিত প্রশাসনিক ও শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি শিক্ষা উপকরণ, গবেষণা ও প্রযুক্তিনির্ভর কার্যক্রমে বরাদ্দের যথাযথ ব্যবহার হলে শিক্ষার্থীদের একাডেমিক পরিবেশ আরও কার্যকর ও গতিশীল হতে পারে।