আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
ইরানকে ঘিরে চলমান সামরিক উত্তেজনার মধ্যে যুক্তরাজ্যের কৌশলগত দুটি সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি বজায় রাখতে নতুন ব্রিটিশ সরকারের কাছে অনুরোধ জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এ বিষয়ে ওয়াশিংটন লন্ডনের ওপর কূটনৈতিক চাপও অব্যাহত রেখেছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফ-এর বরাত দিয়ে আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যামের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন। ওই আলোচনায় ব্রিটিশ বিমানবাহিনীর আরএএফ ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটি এবং ভারত মহাসাগরে অবস্থিত দিয়েগো গার্সিয়া সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন তিনি।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ইরানকে কেন্দ্র করে চলমান সামরিক কার্যক্রমে এই দুটি ঘাঁটির কৌশলগত গুরুত্ব বিবেচনায় যুক্তরাষ্ট্র আগের মতোই সেগুলো ব্যবহারের সুযোগ ধরে রাখতে আগ্রহী।
এর আগে সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের নেতৃত্বাধীন সরকার প্রথমদিকে দিয়েগো গার্সিয়া ঘাঁটি থেকে মার্কিন বি-২ বোমারু বিমান পরিচালনার অনুমতি দিতে অনীহা প্রকাশ করেছিল। পরে অবস্থান পরিবর্তন করে নির্দিষ্ট শর্তে যুক্তরাষ্ট্রকে ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়।
সেই অনুমতিতে বলা হয়েছিল, ঘাঁটিটি কেবল প্রতিরক্ষামূলক সামরিক কার্যক্রম এবং ইরানের সামরিক সক্ষমতা সীমিত করার উদ্দেশ্যে পরিচালিত অভিযানে ব্যবহার করা যাবে।
নতুন ব্রিটিশ সরকার এ বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নেবে, তা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি। তবে বিষয়টি নিয়ে ওয়াশিংটন ও লন্ডনের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে।