নিজস্ব প্রতিনিধি:
আগামী এক বছরের মধ্যে দেশের পুঁজিবাজারে দৃশ্যমান পরিবর্তন আসবে বলে আশাবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান মাসুদ খান। তার মতে, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মাধ্যমে বাজারকে আরও গভীর, স্বচ্ছ, সুশৃঙ্খল ও ন্যায্য করার কাজ চলছে। পাশাপাশি ভালো ও বড় কোম্পানিগুলোকে বাজারে আনতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) ক্যাপিটাল মার্কেট জার্নালিস্টস ফোরামের (সিএমজেএফ) সদস্যদের জন্য আয়োজিত আবাসিক কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন বিএসইসি চেয়ারম্যান। অনুষ্ঠানে সিএমজেএফ সভাপতি মনির হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবীব রাসেল বক্তব্য দেন।
মাসুদ খান বলেন, আগামী ছয় মাস থেকে এক বছরের মধ্যে দেশের পুঁজিবাজারে বড় ও ভালো কোম্পানির অংশগ্রহণ বাড়বে। এতে বাজারের বর্তমান দুর্বলতাগুলোও ধীরে ধীরে কমে আসবে বলে তিনি আশা করেন।
তিনি বলেন, পুঁজিবাজারের উন্নয়নকে কেবল স্বল্পমেয়াদি সূচক ওঠানামা দিয়ে বিচার করলে চলবে না। বাজারে উত্থান-পতন স্বাভাবিক বিষয়। নিয়ন্ত্রক সংস্থার মূল লক্ষ্য হলো দীর্ঘমেয়াদে একটি ‘অর্ডারলি, ফেয়ার ও ট্রান্সপারেন্ট’ বাজার প্রতিষ্ঠা করা।
ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহারের ব্যাখ্যা
বিএসইসি চেয়ারম্যান জানান, দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহার করা হয়েছিল। এর অন্যতম কারণ ছিল মরগান স্ট্যানলি ক্যাপিটাল ইনডেক্সে বাংলাদেশের অবস্থান।
তার ভাষ্য, ফ্লোর প্রাইসের কারণে মরগান স্ট্যানলি ক্যাপিটাল ইনডেক্সে বাংলাদেশ স্থগিত হয়েছিল। একটি দেশের পুঁজিবাজারের আকর্ষণ ও বিনিয়োগযোগ্যতা মূল্যায়নে এ ধরনের সূচক গুরুত্বপূর্ণ। কৃত্রিম বা সাময়িক বাজারব্যবস্থা বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ কমিয়ে দিতে পারে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
মাসুদ খান জানান, পাওয়া তথ্য অনুযায়ী আগামী মাস থেকে বাংলাদেশের জন্য মরগান স্ট্যানলি ক্যাপিটাল ইনডেক্স পুনরায় চালু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
বেক্সিমকোর জিডিআর নিয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত
বেক্সিমকোর গ্লোবাল ডিপোজিটরি রিসিপ্ট (জিডিআর) চালুর বিষয়েও বিএসইসির দ্রুত পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন তিনি। তার দাবি, জরুরি ভিত্তিতে কমিশনের বোর্ড সভার অনুমোদন নিয়ে লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জে স্থগিত থাকা বেক্সিমকোর জিডিআর পুনরায় চালু করা সম্ভব হয়েছে।
ভবিষ্যতে বাংলাদেশি কোম্পানিগুলোর জিডিআর ইস্যুর ক্ষেত্রে যাতে জটিলতা তৈরি না হয়, সে বিষয়টিও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
ডিএসইকে বাড়তি ক্ষমতা
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জকে (ডিএসই) আরও কার্যকর প্রাথমিক নিয়ন্ত্রক হিসেবে গড়ে তুলতে ক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানান বিএসইসি চেয়ারম্যান।
তিনি বলেন, ডিএসইর পরিদর্শন কার্যক্রম, সার্কিট ব্রেকার নির্ধারণ এবং তালিকাভুক্ত কোম্পানির তদারকির ক্ষেত্রে আরও দায়িত্ব ও ক্ষমতা দেওয়া হবে। তালিকাভুক্তির বিধিমালা বাস্তবায়নের দায়িত্ব ডিএসইর; দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে বিএসইসি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।
বাজার নজরদারিতেও প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। ভবিষ্যতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক সার্ভিল্যান্স ব্যবস্থা চালু করে মানবীয় হস্তক্ষেপ ও ত্রুটি কমানোর লক্ষ্য রয়েছে বলে জানান তিনি।
প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বাড়ানোর পরিকল্পনা
মাসুদ খান বলেন, দেশের পুঁজিবাজার এখনো ব্যাপকভাবে খুচরা বিনিয়োগকারীনির্ভর। তার হিসাবে, প্রায় ৯০ শতাংশ বিনিয়োগকারী খুচরা শ্রেণির। বিপরীতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগের পরিমাণ তুলনামূলকভাবে কম।
তার মতে, বাজারকে স্থিতিশীল ও গভীর করতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বাড়ানোর বিকল্প নেই। এ লক্ষ্যে প্রভিডেন্ট ফান্ড ও গ্র্যাচুইটি ফান্ডের বিনিয়োগ কাঠামো আরও কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
প্রাতিষ্ঠানিক তহবিলের একটি অংশ শেয়ারবাজার এবং অন্য অংশ করপোরেট বন্ডে বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি নিয়েও কাজ চলছে বলে জানান তিনি।
ভালো কোম্পানি আনতে সরাসরি তালিকাভুক্তি
বিএসইসি চেয়ারম্যানের মতে, পুঁজিবাজারে ভালো কোম্পানির সংখ্যা বাড়ানো জরুরি। বর্তমানে বাজারে তুলনামূলকভাবে ভালো কোম্পানি সীমিত এবং অনেক প্রতিষ্ঠানের আয়ে বড় ধরনের ওঠানামা থাকায় বিনিয়োগ ঝুঁকিও বেশি।
এ পরিস্থিতিতে ভালো কোম্পানিকে দ্রুত বাজারে আনতে সরাসরি তালিকাভুক্তির ব্যবস্থা সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আইপিও প্রক্রিয়া দীর্ঘ হওয়ায় নতুন ব্যবস্থার মাধ্যমে সময় কমানোর পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি আইপিও ব্যবস্থাতেও পরিবর্তন আনা হবে।
আইপিওতে ‘এক্সটেন্ডেড অডিট’
আইপিও প্রক্রিয়াকে আরও কার্যকর করতে ‘এক্সটেন্ডেড অডিট’ চালুর পরিকল্পনার কথা জানান মাসুদ খান।
তিনি বলেন, প্রচলিত স্ট্যাটুটরি অডিটে মূলত কোম্পানির আর্থিক বিবরণীর সত্যতা ও ন্যায্য উপস্থাপন যাচাই করা হয়। কিন্তু পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির ক্ষেত্রে কোম্পানির জমি, যন্ত্রপাতি, মজুত পণ্য, বিক্রয় বাবদ পাওনা এবং সরবরাহকারীদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট তথ্য বাস্তবে সঠিক কি না, সেটিও যাচাই প্রয়োজন।
এ জন্য আইপিও আবেদনকারী প্রতিষ্ঠানকে বর্ধিত নিরীক্ষার আওতায় আনার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। অডিটররা প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই ও প্রত্যয়ন করলে পরবর্তী ধাপে একই বিষয় নিয়ে ডিএসইকে বারবার প্রশ্ন করার প্রয়োজন কমবে বলে মনে করেন তিনি।
বহুজাতিক কোম্পানির জন্য হাইব্রিড ব্যবস্থা
বহুজাতিক ও বড় স্থানীয় কোম্পানিগুলোকে পুঁজিবাজারে আনতে ‘হাইব্রিড সিস্টেম’ চালুর উদ্যোগের কথাও জানান বিএসইসি চেয়ারম্যান। এ ব্যবস্থায় কোনো কোম্পানি একই সঙ্গে মূলধন সংগ্রহ এবং সরাসরি তালিকাভুক্ত হওয়ার সুযোগ পেতে পারে।
আগামী সপ্তাহে এ ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি। বড় কোম্পানিগুলোকে স্বপ্রণোদিতভাবে বাজারে আসতে উৎসাহিত করা হবে। প্রয়োজনে বিদ্যমান আইনি কাঠামোর মাধ্যমেও ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
‘পাবলিক ইন্টারেস্ট কোম্পানি’ নির্ধারণ
সিকিউরিটিজ আইনের ২০-এ ধারার আওতায় জনস্বার্থে কোনো কোম্পানিকে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার নির্দেশ দেওয়ার সুযোগ রয়েছে বলে জানান মাসুদ খান।
এ জন্য ‘পাবলিক ইন্টারেস্ট কোম্পানি’র একটি নির্দিষ্ট সংজ্ঞা তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। তার প্রত্যাশা, আগামী ছয় মাস থেকে এক বছরের মধ্যে দেশের বড় ও ফ্ল্যাগশিপ কোম্পানিগুলোর উল্লেখযোগ্য একটি অংশ পুঁজিবাজারে যুক্ত হবে।
তালিকাভুক্তিতে কর সুবিধার উদ্যোগ
স্থানীয় কোম্পানিগুলোকে বাজারে আনতে কর সুবিধার বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে। বিএসইসি চেয়ারম্যান জানান, তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানের জন্য বর্তমানে কর সুবিধা রয়েছে। এ সুবিধা আরও কার্যকর করার বিষয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।
তার মতে, তালিকাভুক্ত ও তালিকাবহির্ভূত কোম্পানির কর ব্যবস্থায় যৌক্তিক ব্যবধান তৈরি করা গেলে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার আগ্রহ বাড়তে পারে।
করপোরেট বন্ডে কমেছে তালিকাভুক্তি ফি
করপোরেট বন্ড বাজারকে সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের মূল বোর্ডে করপোরেট বন্ড তালিকাভুক্তির ফি ৮০ শতাংশ কমানো হয়েছে বলে জানান তিনি।
তার আশা, ফি কমানোর ফলে আগামী তিন থেকে ছয় মাসের মধ্যে মূল বোর্ডে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক করপোরেট বন্ডের লেনদেন শুরু হতে পারে। বিভিন্ন বন্ডে আকর্ষণীয় কুপন রেটও বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়াতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
নতুন বিনিয়োগ পণ্য চালুর পরিকল্পনা
পুঁজিবাজারে নতুন ধরনের বিনিয়োগ পণ্য যুক্ত করার পরিকল্পনাও তুলে ধরেন বিএসইসি চেয়ারম্যান। চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে ডেরিভেটিভ মার্কেট চালুর প্রক্রিয়া শিগগির শুরু হবে বলে জানান তিনি।
এ ছাড়া কমোডিটি মার্কেটে গোল্ড, সিলভার ও ক্রুড পাম অয়েল নিয়ে কাজ চলছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ইনডেক্স ফিউচার চালুর জন্য আবেদন করেছে বলেও জানান তিনি।
এক্সচেঞ্জ ট্রেডেড ফান্ড (ইটিএফ) এবং রিয়েল এস্টেট ইনভেস্টমেন্ট ট্রাস্ট (আরইআইটি) চালুর অনুমোদন থাকলেও এগুলো কার্যকর করার ক্ষেত্রে আরও পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
এক বছরের মধ্যে সিসিবিএল চালুর লক্ষ্য
দেশের ক্লিয়ারিং ব্যবস্থাকে আধুনিক করতে সেন্ট্রাল কাউন্টারপার্টি অব বাংলাদেশ লিমিটেড (সিসিবিএল) চালুর ওপর জোর দিচ্ছে বিএসইসি। আগামী এক বছরের মধ্যে এটি চালুর লক্ষ্য রয়েছে বলে জানান চেয়ারম্যান।
এ জন্য শেয়ারহোল্ডিং কাঠামো পরিবর্তনের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি অবকাঠামো উন্নয়নের প্রয়োজন রয়েছে। বিশেষ করে ডেরিভেটিভ লেনদেন পরিচালনায় বর্তমান প্রযুক্তির সীমাবদ্ধতা রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
ব্রোকারদের জন্য অভিন্ন সফটওয়্যার
ব্রোকারদের ব্যাক অফিস ব্যবস্থায়ও পরিবর্তন আনার পরিকল্পনা করছে বিএসইসি। বর্তমানে বিভিন্ন ব্রোকার নিজস্ব সফটওয়্যার ব্যবহার করায় ঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলে মনে করছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
এ কারণে সব ব্রোকারের জন্য একটি অভিন্ন সফটওয়্যার চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। পরবর্তী সময়ে এ সফটওয়্যারের সঙ্গে সিসিবিএলের এপিআই সংযোগ স্থাপনের পরিকল্পনাও রয়েছে।
আইপিও ও মিউচুয়াল ফান্ড বিধিমালায় পরিবর্তন
বিএসইসি চেয়ারম্যান জানান, মার্জিন বিধিমালা ইতোমধ্যে প্রণয়ন করা হয়েছে। এরপর ক্যাপিটাল ইস্যু-সংক্রান্ত বিধিমালা এবং আইপিও বিধিমালায় পরিবর্তন আনা হবে। আগামী এক থেকে দুই মাসের মধ্যে নতুন আইপিও বিধিমালা চালুর লক্ষ্য রয়েছে। পরে মিউচুয়াল ফান্ড বিধিমালাতেও সংস্কার আনা হবে।
বহুজাতিক কোম্পানির লভ্যাংশ পাঠানোর প্রক্রিয়া সহজ
বিদেশি মালিকানাধীন বহুজাতিক কোম্পানির লভ্যাংশ বিদেশে পাঠানোর প্রক্রিয়াও সহজ করার কথা জানিয়েছেন মাসুদ খান। তার মতে, দ্বৈত কর পরিহারসংক্রান্ত ছাড়পত্র না পাওয়ার কারণে কিছু প্রতিষ্ঠান লভ্যাংশ পাঠাতে জটিলতায় পড়ছিল।
নতুন ব্যবস্থায় অনুমোদনের জন্য বারবার বিএসইসিতে আসার প্রয়োজন হবে না। লভ্যাংশের সম্পূর্ণ অর্থ পাওয়ার পর এক মাসের মধ্যে তা পরিশোধের ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
এ ছাড়া ‘জেড’ ক্যাটাগরির শেয়ারধারী স্পন্সরদের শেয়ার হস্তান্তরের অনুমোদন প্রক্রিয়াও সহজ করা হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে বিএসইসির পরিবর্তে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জকে দায়িত্ব দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
আর্থিক শিক্ষায় জোর
ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগ-সচেতনতা বাড়াতে আর্থিক শিক্ষা কার্যক্রম সম্প্রসারণের পরিকল্পনার কথাও জানান বিএসইসি চেয়ারম্যান। আগামী এক বছরে আর্থিক সাক্ষরতা কার্যক্রম কয়েক গুণ বাড়ানোর লক্ষ্য রয়েছে।
মাস এডুকেশন, প্রশিক্ষণ ও সার্টিফিকেশন কার্যক্রম আরও জোরদার করার পাশাপাশি এসব উদ্যোগের কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে বলে জানান তিনি।
সবশেষে পুঁজিবাজারের দৈনন্দিন সূচক নিয়ে ওঠানামা বা বাজারের তাৎক্ষণিক গতিপথ নিয়ন্ত্রণ করা তার দায়িত্ব নয় বলে মন্তব্য করেন মাসুদ খান। তার ভাষ্য, দীর্ঘমেয়াদে একটি স্বচ্ছ, ন্যায্য ও সুশৃঙ্খল বাজার গড়ে তোলাই নিয়ন্ত্রক সংস্থার মূল লক্ষ্য।
সাংবাদিকদের পুঁজিবাজার উন্নয়নে গঠনমূলক ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রক সংস্থার সহযোগী শক্তি। তাদের সহযোগিতা ছাড়া একটি শক্তিশালী ও প্রাণবন্ত পুঁজিবাজার গড়ে তোলা কঠিন।