নিজস্ব প্রতিনিধি:
আসন্ন প্রাইম মিনিস্টার্স গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬ উপলক্ষে দেশের সব নিম্নমাধ্যমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিতে নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি। শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ফুটবল দল গঠন থেকে শুরু করে নিয়মিত অনুশীলনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (২০ জুলাই) আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি এবং ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, আগামী ৯ আগস্ট চট্টগ্রাম স্টেডিয়ামে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করবেন। একই দিন সারাদেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে একযোগে প্রতিযোগিতার কার্যক্রম শুরু হবে। এতে নিম্নমাধ্যমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীরা অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবে।
টুর্নামেন্টকে সামনে রেখে প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে একটি ছাত্র ও একটি ছাত্রী ফুটবল দল গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যোগ্য ও প্রতিভাবান শিক্ষার্থী বাছাই করে দল তৈরি করতে হবে এবং অভিজ্ঞ শিক্ষক বা প্রশিক্ষকের তত্ত্বাবধানে নিয়মিত অনুশীলনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।
এছাড়া প্রতিভা অন্বেষণ ও খেলাধুলার প্রতি শিক্ষার্থীদের আগ্রহ বাড়াতে শ্রেণিভিত্তিক আন্তঃশ্রেণি ফুটবল প্রতিযোগিতা আয়োজনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে খেলাধুলার মাধ্যমে শৃঙ্খলাবোধ, নেতৃত্বের গুণ, দলগত চেতনা এবং সুস্থ জীবনধারা গড়ে তুলতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে কার্যকর উদ্যোগ নিতে বলা হয়েছে।
চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, টুর্নামেন্ট-সংক্রান্ত পরবর্তী নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে হবে এবং আয়োজন সফল করতে স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, ক্রীড়া সংগঠক, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও শিক্ষানুরাগীদের সহযোগিতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানদের জন্য দেওয়া পাঁচ নির্দেশনা হলো-
১. শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে যোগ্যতার ভিত্তিতে একটি ছাত্র ও একটি ছাত্রী ফুটবল দল গঠন করতে হবে।
২. অভিজ্ঞ শিক্ষক বা প্রশিক্ষকের তত্ত্বাবধানে নিয়মিত অনুশীলনের ব্যবস্থা করতে হবে।
৩. দক্ষ খেলোয়াড় বাছাই ও শিক্ষার্থীদের খেলাধুলায় আগ্রহ বাড়াতে শ্রেণিভিত্তিক আন্তঃশ্রেণি ফুটবল প্রতিযোগিতার আয়োজন করতে হবে।
৪. খেলাধুলার মাধ্যমে শৃঙ্খলা, নেতৃত্ব, দলগত চেতনা ও সুস্থ জীবনধারা গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে হবে।
৫. টুর্নামেন্ট-সংক্রান্ত পরবর্তী নির্দেশনা অনুসরণ করে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে হবে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, দেশব্যাপী এই আয়োজন শিক্ষার্থীদের মধ্যে ফুটবলের প্রতি আগ্রহ বাড়ানোর পাশাপাশি নতুন প্রতিভা খুঁজে বের করার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।